গোপালপুর যমুনা নদীর পানি অকস্মাৎ বৃদ্ধি পাওয়ায় মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

✍ sulove 📅 July 23, 2026 💬 0 Comments
Facebook Twitter WhatsApp

কে.এম.শামীম
গোপালপুর, প্রতিনিধি,  টাঙ্গাইল

কয়েকদিনের টানা বৃষ্টি ও বর্ষা মৌসুম হওয়ায় যমুনা নদীর পানি অস্বাভাবিকভাবে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ভীত সন্ত্রস্ত হয়ে পরিস্থিতি অবলোকনের জন্য এলাকায় জনসাধারণের আনাগোনা বেড়েছে। যমুনায় প্রচণ্ড স্রোতের তোড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। ভাঙন রক্ষায় রাত দিন কাজ করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড।  সোমবার দুপুরে গিয়ে ভাঙন কবলিত এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, তারাকান্দি- ভূঞাপুর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের গোপালপুর উপজেলার শাখারিয়ার স্লুইসগেট অংশের বিধ্বস্ত বাঁধের প্রায় একশ ফুট অংশে জিও ব্যাগ ডাম্পিং করছে পাউবো। পাশাপাশি স্হানীয় জনসাধারণ নিজ উদ্যোগেও গাছের ডালপালা কেটে ভাঙন এলাকার নদীতীরে ফেলছে। ভাঙন কবলিত এলাকায় বাঁধ পরিদর্শনে আসেন টাঙ্গাইল-২ (গোপালপুর-ভূঞাপুর) আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টু। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তিনি বলেন, সার্বিক পরিস্থিতির বিষয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কথা বলে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে বলেছেন।এছাড়াও পরিদর্শনে আসেন গোপালপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মঞ্জুরুল ইসলাম। ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার স্থানীয় সংবাদকর্মীদের জানান, পানি বাড়ায় নদীতে স্রোতের প্রচণ্ড চাপ রয়েছে। পাউবো বিপুল পরিমান জিও ব্যাগ সরবরাহ করেছেন। প্রবাহমান নদীর স্রোতের সাথে তাল মিলিয়ে এসব জিওব্যাগ ডাম্পিং করা হচ্ছে। মানুষের মধ্যে যে ভীতি ছিল তা কিছুটা কমে এসেছে। বাঁধের উপর নির্মিত তারাকান্দি-
ভূঞাপুর আঞ্চলিক মহাসড়কে দ্বিতীয় দিনের মতো সকল প্রকার যানবাহন চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। বাঁধটি ঝুঁকিপূর্ণ বিধায় স্থানীয় প্রশাসন যান চলাচলে এমন নির্দেশনা দিয়েছেন। গোপালপুর উপজেলার হেমনগর ফাড়ির পুলিশ জানায়, সকল প্রকার যানবাহন নলিন বাজার হয়ে ঢাকা যাচ্ছে। এছাড়াও অনেক যানবাহন বিকল্প সড়ক হিসেবে গোপালপুর উপজেলা শহরের ভেতর দিয়েও চলাচল করতে দেখা যায়। উজানের পানির প্রবাহে যমুনা নদী এখন অশান্ত। আর এই অশান্ত যমুনাকে বাগে আনা কঠিন। তারপরেও ঝুঁকিপূর্ন বাঁধের অংশে কারিগরী পরীক্ষা চলছে। বাঁধ রক্ষায় সকলেই আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিএনপির বাইস প্রেসিডেন্ট সাংসদ আব্দুস সালাম পিন্টূ শাখারিয়া ভাঙ্গন এলাকায় পরিদর্শন এর পর থেকে জিও ব্যাগ দেওয়া হয় পুরোদমে ।  বুধবার পযর্ন্ত জিও ব্যাগ দিয়ে বাধ রক্ষার কাজ করে যাচ্ছে পাওবো। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে আপাদত বাদ ভাঙ্গার যুকি কম ।

sulove

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *