মোঃ মোশারফ হোসেন
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নগদা শিমলা ইউনিয়রের উত্তর পাথালিয়া গ্রামে ২১ অক্টেম্বর বুধবার সুর্যডোবার সাথে সাথে উত্তর পাথালিয়া গ্রামের পশ্চিম পাশে জিনাই নদীতে প্রতিমা বির্সজন দেওয়া হয়। এ সময় ডাকডোলের বাজনা বাজিয়ে বিভিন্ন বয়য়ের নারী পুরুষ নেচে গেয়ে আলতি দিয়ে নারী সাফ জয়ী (২০২২ ও ২০২৪) শ্রীমতি কৃষ্ণারানী সরকারের বাড়ির পাশে অনুষ্ঠিত পাচদিন ব্যাপি শারদিয় দুর্গাপুজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে জিনাই নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। কৃষ্ণারানী সরকার নিজেও তার ধর্মকে সম্মান করে সিদুর খেলায় মেতে উঠেন। তিনি বলেন সবার জন্য মায়ের আর্শি বাদ রইল সবাই ভালো থাকেন। পুজা ভক্ত প্রবিন বয়সের মহিলা-পুষশকে কাদতে, শিশু কিশোরা আনন্দ করতে করতে প্রতিমা বির্সজন দিতে দেখা যায়। রতিশ চন্দ্র সরকাররে বাড়িতে এই শারদিয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হয়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনি আনছার সর্বাক্ষন নিয়োজিত ছিলেন। কৃষ্ণার বাবা শ্রী বাসুদেব বলেন অতীতে আমরা নয় ঘর হিন্দু মিলে পুজা আয়োজন করে উৎযাপন করেছি, এবারেও করেছি আগামীতে উপর মালিক সুযোগ করেদিলে করব। সরকার আমাদের সহ যোগিতা করেছে। নগদা শিমলা ইউনিয়নের বিএনপি সভাপতি আবু হানিফ কিছলু, আলম মেম্বার ও মজিদ সহ মুসলমান ভাইয়েরা সহ যোগিতা করেছেন। প্রতিমা দেবিকে শেষ বারের মত বিদায় দিতে ভক্তরা সিদুর খেলায় মেতে উঠেন একে অপরকে রং দিয়ে লালে লাল করেন এ যেন এক আনন্দ মিলন মেলায় পরিনত হয়। ভক্তদের মুখে শোনা যায় জয় মা দেবি জয় শান্তি দিয়ে গেলো আবারো এক বছর পরে শান্তি নিয়ে ফিরে আসবে পৃথিীবিতে ।
টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নগদা শিমলা ইউনিয়রের উত্তর পাথালিয়া গ্রামে ২১ অক্টেম্বর বুধবার সুর্যডোবার সাথে সাথে উত্তর পাথালিয়া গ্রামের পশ্চিম পাশে জিনাই নদীতে প্রতিমা বির্সজন দেওয়া হয়। এ সময় ডাকডোলের বাজনা বাজিয়ে বিভিন্ন বয়য়ের নারী পুরুষ নেচে গেয়ে আলতি দিয়ে নারী সাফ জয়ী (২০২২ ও ২০২৪) শ্রীমতি কৃষ্ণারানী সরকারের বাড়ির পাশে অনুষ্ঠিত পাচদিন ব্যাপি শারদিয় দুর্গাপুজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে জিনাই নদীতে বিসর্জন দেওয়া হয়। কৃষ্ণারানী সরকার নিজেও তার ধর্মকে সম্মান করে সিদুর খেলায় মেতে উঠেন। তিনি বলেন সবার জন্য মায়ের আর্শি বাদ রইল সবাই ভালো থাকেন। পুজা ভক্ত প্রবিন বয়সের মহিলা-পুষশকে কাদতে, শিশু কিশোরা আনন্দ করতে করতে প্রতিমা বির্সজন দিতে দেখা যায়। রতিশ চন্দ্র সরকাররে বাড়িতে এই শারদিয় দুর্গাপুজা অনুষ্ঠিত হয়। আইন শৃঙ্খলা বাহিনি আনছার সর্বাক্ষন নিয়োজিত ছিলেন। কৃষ্ণার বাবা শ্রী বাসুদেব বলেন অতীতে আমরা নয় ঘর হিন্দু মিলে পুজা আয়োজন করে উৎযাপন করেছি, এবারেও করেছি আগামীতে উপর মালিক সুযোগ করেদিলে করব। সরকার আমাদের সহ যোগিতা করেছে। নগদা শিমলা ইউনিয়নের বিএনপি সভাপতি আবু হানিফ কিছলু, আলম মেম্বার ও মজিদ সহ মুসলমান ভাইয়েরা সহ যোগিতা করেছেন। প্রতিমা দেবিকে শেষ বারের মত বিদায় দিতে ভক্তরা সিদুর খেলায় মেতে উঠেন একে অপরকে রং দিয়ে লালে লাল করেন এ যেন এক আনন্দ মিলন মেলায় পরিনত হয়। ভক্তদের মুখে শোনা যায় জয় মা দেবি জয় শান্তি দিয়ে গেলো আবারো এক বছর পরে শান্তি নিয়ে ফিরে আসবে পৃথিীবিতে ।




Leave a Reply